কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের ঋণ ও শেয়ারবাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতায় ডলারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় প্রভাব পড়ায় এর দরপতন হয়েছে। এর বিপরীতে শক্তিশালী হয়েছে জাপানি ইয়েন, কানাডীয় ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড ও নিউজিল্যান্ডের মুদ্রা কিউই। একই সঙ্গে এক মাস ধরে দুর্বল থাকা ইউরোর দরপতন আপাতত থেমেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এশিয়ার বাজারে প্রতি ডলারের বিপরীতে ইয়েনের বিনিময় হার বেড়ে ১৫৭ দশমিক ৩ ইয়েনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া কানাডীয় ডলার ও নিউজিল্যান্ডের মুদ্রার দাম এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দরও বেড়েছে। ফ্রান্সের বাজেট উদ্বেগ ও ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তা অনিশ্চয়তার কারণে চাপে থাকা ইউরো আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে।
আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) ও জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে আগামী বছর তা বাড়ানোর ইঙ্গিত রয়েছে। অন্যদিকে, অক্টোবরের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভও সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখতে পারে; তবে ডিসেম্বরে তা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর এসব নীতিগত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।


