৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ও গড়ে ৫৬ মিটার প্রশস্ত লেকে জমে থাকা প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৩৪ ঘনমিটার স্লাজ অপসারণ করা হবে। প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ঘনমিটার স্লাজ অপসারণে দুটি ভাসমান এক্সকাভেটর ও চারটি বার্জ ব্যবহার করা হবে। প্রায় এক বছর মেয়াদি এ কাজের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬ কোটি টাকা।
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ধানমন্ডি লেকের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল। দুটি প্রকল্পের প্রথম ধাপ হিসেবে স্লাজ অপসারণ শুরু হয়েছে। ডিটেইল ডিজাইন অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে পুরো লেক সংস্কার করা হবে।
ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, তলদেশ পরিষ্কারের পর পানি শোধন, সাইডওয়াল সংস্কার, ওয়াকওয়ে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং আলোকসজ্জার কাজ করা হবে। পাশাপাশি পুরো এলাকার রাস্তা, ফুটপাত ও অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিএসসিসির মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ধানমন্ডি লেকের উন্নয়নে মোট ৭৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে ৫০ কোটি টাকা লেক ও অবকাঠামো সংস্কারে এবং ২৫ কোটি টাকা ‘নজরুল সরোবর’ নির্মাণে ব্যয় হবে। এতে অ্যাম্ফিথিয়েটার, লাইব্রেরি, বুক কর্নার, নগর বন, প্লাজা, লেকের ঘাট, রেস্তোরাঁ ও ক্যাফেসহ বিভিন্ন সুবিধা থাকবে।
এ ছাড়া লেকে ভাসমান ডেক, কিয়স্ক, আধুনিক জিম, ক্যাফেটেরিয়া, ব্যাডমিন্টন কোর্ট, উন্মুক্ত ব্যায়ামাগার, পার্কিং, সিসিটিভি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। লেকের তলদেশ স্লাজমুক্ত হওয়ার পর মূল সংস্কার ও ‘নজরুল সরোবর’ নির্মাণকাজ একযোগে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।




