বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কাঁচপুর বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। প্রাথমিকভাবে অস্থায়ী শেড নির্মাণ করে চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা ও নোয়াখালীসহ ১৬ জেলার দূরপাল্লার বাস কাঁচপুরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশাসক জানান, বাসগুলো রাজধানীর মূল শহরে প্রবেশ না করায় যানজট কমবে। কাঁচপুর থেকে সায়েদাবাদে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্য পরিবহন মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে বিশেষ শাটল সার্ভিস চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি গুলিস্তান বাস টার্মিনাল বুড়িগঙ্গার ওপারে স্থানান্তরের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি প্যাকেজে টার্মিনালটির নির্মাণকাজ চলছে। প্রকল্পের গড় অগ্রগতি ৩০ শতাংশ। সীমানাপ্রাচীরের ৭৫ শতাংশ ও অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্মের ২৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক কাজ শেষ করে টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য রয়েছে।
প্রায় ১২ একর জায়গার এ টার্মিনালে ৪০৫টি বাসের ধারণক্ষমতা, ৩৭৮টি পার্কিং, ২২টি বাস বে, ৫টি ওয়াশিং বে এবং ৪০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ৪৮০ আসনের অপেক্ষাকক্ষ, ১০৬টি টিকিট কাউন্টার এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক টয়লেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত ও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের নির্দেশ দেন ডিএসসিসি প্রশাসক।




