সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এসব এলাকায় সক্রিয় অপরাধী চক্রের পাশাপাশি তাদের অর্থদাতা, পৃষ্ঠপোষক ও নির্দেশদাতাদের সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা, মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিক ভাঙচুর এবং মোহাম্মদপুর-আদাবরে জমি দখলের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর-আদাবরের চাঁদ উদ্যান, নবীনগর হাউজিং, বসিলা, শ্যামলী হাউজিং ও জেনেভা ক্যাম্প এবং মিরপুর-পল্লবীর কয়েকটি এলাকা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ইসিবি চত্বর ও ক্যান্টনমেন্ট-সংলগ্ন দক্ষিণ মানিকদীর কিছু এলাকাও বিশেষ নজরে রয়েছে।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, রাজধানীতে ১৫৮টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় এবং এসব চক্রে ১ হাজার ২১৯ জন সদস্য রয়েছে। তাদের পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগও যাচাই করা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের প্রমাণ আইনগত প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হবে।
অপরাধীদের পাশাপাশি বিদেশে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে দেশীয় চক্রের যোগাযোগ, অর্থায়ন ও নির্দেশনার বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযানের অংশ হিসেবে হটস্পটে টহল বাড়ানো, বডি ক্যামেরা ও সিসিটিভি ব্যবহারের পাশাপাশি ৯৯৯ সেবার সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদে অপরাধপ্রবণ এলাকায় এআই-নির্ভর সিসিটিভি নজরদারি, ক্রাইম সিন ম্যানেজমেন্ট ইউনিট এবং সাইবার-মাদক প্রতিরোধ সেল গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানা গেছে। তবে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কোনো অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।




