বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে বণিক বার্তা আয়োজিত ‘স্মার্ট আবাসন, টেকসই নগরায়ণ ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্মার্ট সিটি কনক্লেভে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রায় ৪ হাজার ৩০০টি বাড়িঘর রয়েছে। এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভবনে নিয়ম অনুযায়ী সেপটিক ট্যাংক বা সুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) থাকার কথা থাকলেও অনেক ভবনে তা নেই। ফলে স্যুয়ারেজের পানি স্টর্ম ওয়াটারের সঙ্গে মিশে লেকের পানি দূষিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট সোসাইটি ও বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। লেক ও এলাকার পরিবেশ ঠিক করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
দেশের নগরায়ণ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জাকারিয়া তাহের বলেন, প্রথমবারের মতো প্রায় ১০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শুরুতে মেট্রোপলিটন শহরগুলোকে এর আওতায় আনা হচ্ছে। পরে বড় শহর ও উপজেলা পর্যায়েও পরিকল্পনা সম্প্রসারণ করা হবে। এ জন্য নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করা হচ্ছে।
ভবন নির্মাণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্থাপত্য, কাঠামো, বৈদ্যুতিক ও প্লাম্বিং পরিকল্পনা সমন্বিতভাবে অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত ভবন শনাক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া অনুমোদন ছাড়া বা নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মিত ভবনের জন্য নতুন বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে।
রাজউকের বাইরে ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, রংপুর ও বরিশালে নতুন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শহরকেও পরিকল্পিত নগরায়ণের আওতায় আনা হবে।
বর্তমান ঢাকার পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এই শহরকে বাসযোগ্য করতে সঠিক পরিকল্পনা ও সব খাতের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পরিবেশ রক্ষা ও সঠিক আবাসন নীতি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে।




