মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মূল লক্ষ্য জনগণের সেবা করা। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা মানুষের প্রয়োজন পূরণ, অধিকার নিশ্চিত ও সরকারি সেবা সহজ করার কাজে ব্যবহার করতে হবে।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় প্রশাসনের জন্য এ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সঙ্গে নিবন্ধন তথ্যভান্ডারের তথ্যের বড় অসঙ্গতি রয়েছে। এ অসঙ্গতি দূর করে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই নাগরিকসেবা নিশ্চিত হয় না; প্রযুক্তির পেছনে থাকা ব্যক্তিদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। একটি সাধারণ জন্মসনদ পেতে কোনো নাগরিককে যেন বারবার ইউনিয়ন পরিষদে যেতে না হয়, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও নির্ভুল করতে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সিস্টেম (বিডিআরআইএস) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে শুদ্ধতা ও উৎকর্ষের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




