অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, ১১ ডিসেম্বর (শুক্রবার) রাত ৭টা ৩০ মিনিটে ভাগবতপাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হবে; পরিবেশনায় থাকবেন ফরিদপুরের ভক্তপ্রবর শ্রী জয় কর্মকার। ১২ ডিসেম্বর (শনিবার) রাত ৭টায় শ্রী স্বপন চন্দ্র গোস্বামীর পৌরোহিত্যে অধিবাস ও গঙ্গা আহ্বান অনুষ্ঠিত হবে এবং রাত ৮টায় লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন সাতক্ষীরার শ্রীমতি অঞ্জলী রাণী সরকার। ১৩ ডিসেম্বর (রবিবার) রাত ৮টায় লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন সাতক্ষীরার শ্রীমতি কুমারী আশা লতা চৌধুরী।
১৪ ডিসেম্বর (সোমবার) অরুণোদয় থেকে শুরু হয়ে ১৬ ডিসেম্বর (বুধবার) ব্রাহ্মমুহূর্ত পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে ১৬ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনামযজ্ঞ ও ব্রজ ধূলী গ্রহণ। ১৫ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) দ্বি-প্রহরে শ্রীমন মহাপ্রভুর ভোগরাগান্তে সমবেত ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। ১৬ ডিসেম্বর ঊষালগ্নে মহানামযজ্ঞের পূর্ণাহুতি, মন্দির পরিক্রমা, দধি মঙ্গল ও মহন্ত বিদায়ের মাধ্যমে মহোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
এই হরিনামযজ্ঞে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্যাতিমান কীর্তনীয়া দল—শ্রী রিনা মিনা অষ্টসখি সম্প্রদায় (খুলনা), শ্রী গৌর গোপাল সম্প্রদায় (গোপালগঞ্জ), শ্রী প্রভু সুন্দর সম্প্রদায় (লাকসাম), শ্রী নন্দ দুলাল সম্প্রদায় (অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ), শ্রী গুরু চৈতন্য সম্প্রদায় (খুলনা) ও শ্রী প্রভু সনাতন সম্প্রদায় (নোয়াখালী)।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসব চলাকালীন প্রতিদিন দিবা-রাত্রি আগত সব ভক্ত ও পুণ্যার্থীর জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা থাকবে। যেকোনো তথ্য ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য ভক্তরা ০১৭১২-৭৩৭৫৩৬, ০১৭১২-৮৪০১৮১, ০১৭১১-১৫২৪৮১ অথবা ০১৭১৭-৩৭৯৭৮০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। বিশ্বকল্যাণ কামনায় আয়োজিত এই মহোৎসবে সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছে মন্দির কমিটি।



