জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, ভেজাল খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও বিপণন রোধে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও বিএসটিআইয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনবল নিয়োগ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে খাদ্যের মান পরীক্ষা নিশ্চিতে দেশের ৬৪ জেলায় পরীক্ষাগার স্থাপনে জাইকার সহযোগিতা চান তিনি।
বৈঠকে জাইকার প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো খাদ্য নিরাপত্তায় সমন্বিত আইনি কাঠামো ও সব ব্যবসায়ীর জন্য একক লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেন। এ ছাড়া তিনি জানান, খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করতে জাইকা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে আন্তর্জাতিক মানের তিনটি ল্যাব স্থাপন করছে। সেই সঙ্গে জেলা পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা পরিদর্শকের সংখ্যা বাড়ানো এবং তাঁদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন জাইকা প্রতিনিধি।


