আরবি ও ফরাসি শব্দের মিশ্রণে তৈরি এই বাক্যের অর্থ ‘আল্লাহর নামে, এটি অন্ধকার’। মূলত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাস্যকর অনুপ্রবেশের চেষ্টাকে ব্যঙ্গ করতেই তরুণরা এই স্লোগানটি লুফে নিয়েছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, স্ন্যাপচ্যাটে শিক্ষার্থীদের একটি ব্যক্তিগত চ্যাট গ্রুপে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় এক ব্যক্তি প্রথমে এই বার্তাটি পাঠান। তরুণদের কথ্যরীতির অনুকরণে তিনি লেখেন, ‘বিসমিল্লাহ... আমরা সবকিছু ভেঙে ফেলব।’ ভিন্ন ভিন্ন প্রোফাইল থেকে আলজেরিয়ার পতাকার ইমোজি ও কাল্পনিক নাম ব্যবহার করে পাঠানো বার্তাগুলোর ভাষা অস্বাভাবিক হওয়ায় তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তরুণদের ভাষা বুঝতে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা এবং আরব বা কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর ভাঙচুরের দায় চাপানোর বর্ণবাদী মানসিকতাই এর মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
এ বিষয়ে ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের ধরতে তদন্তকারীরা অনেক সময় অনলাইনে ছদ্মপরিচয় ব্যবহার করে থাকেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষক নিয়োগসহ কয়েকটি দাবিতে গত মাস থেকে ফ্রান্সে এই আন্দোলন চলছে, যা এখন বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে সহিংসতায় অন্তত ২৪টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রায় ৮ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ব্যঙ্গাত্মক এই স্লোগান এখন ফ্রান্স ছাড়িয়ে বেলজিয়াম ও জার্মানিতেও ব্যবহৃত হচ্ছে।


