মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, জুতা নিক্ষেপের সময় ব্যানারে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছবি ছিল—এটি তিনি দেখতে পাননি।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এ সময় ‘রাজাকার’ লেখা একটি ব্যানারে থাকা বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াত নেতার প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রশিবিরবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
ব্যানারটিতে জামায়াতের সাবেক নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, আলী আহসান মুজাহিদ, কাদের মোল্লা, মীর কাসেম আলীসহ আরও কয়েকজনের ছবি ছিল।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে আরিফুল ইসলাম আরিফ ফেসবুকে লেখেন, ‘আমি একমাত্র আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি ওনার ছবিটি দেখিনি। আপনারা অনেকে অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু একটুও দুঃখ পাইনি। কারণ ওনাকে নিয়ে অন্য কেউ এটা করলে আমি-ও এমনটাই করতাম। কান্না করার পরও মনকে শান্তনা দিতে পারতেছি না। আপনাদের মনে যে কষ্ট দিয়েছি, তার জন্য আমি লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। সবাই ক্ষমা করবেন।’
তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।