শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদরাসার দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এতিম ও দুস্থদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি অনাথ ও এতিম শিশুদের জন্য সরকারি কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। এ কাজে সরকারের পাশাপাশি সমাজের ধনী ও বিত্তশালীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কওমি মাদরাসার শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কওমি মাদরাসায় পড়াশোনা শেষ করে অনেকেই দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রসারে মাদরাসা শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
মাদরাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা মেরাজুল হক, মুফতি আরশাদ রহমানি, পাকিস্তানের আল্লামা ফয়সাল নদীম, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন আল মোবারক, মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী কুয়াকাটা ও মুফতি শিহাব উদ্দীন নাটোরী।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, শিল্পপতি আহমেদুল হক, মীর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম, শিল্পপতি ফেরদৌস ওহিদ বাপ্পী, শিল্পপতি সামশুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব খোরশেদ আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আলম এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দুই দিনব্যাপী এ ইসলামী মহাসম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাদরাসাটির সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। জুমার নামাজের পর দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী।




