ট্যারিফ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ লাখ ২৩ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্যতেল, ৬ লাখ ৮৭ হাজার টন চিনি, ৮২ হাজার টন ছোলা, ১ লাখ ২২ হাজার টন মসুর ডাল এবং ১১ হাজার টন খেজুর আমদানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এসব পণ্যের আমদানি ও এলসি খোলার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
স্থানীয় বাজার পর্যালোচনায় জানানো হয়, এক মাসের ব্যবধানে বাজারে ডিম, ব্রয়লার মুরগি ও মসুর ডালের দাম কমেছে এবং ভোজ্যতেল ও চিনির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। পোল্ট্রি খাতের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে খামার পর্যায়ে ডিম ও মুরগির উৎপাদন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। রোগবালাই না থাকায় উৎপাদন ও সরবরাহে বড় কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই।
সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা খেজুরের জাত, গুণগত মান ও মূল্যের পার্থক্য বিবেচনায় শুল্ক কাঠামো সহজ এবং যৌক্তিক করার ওপর জোর দেন। আমদানিকারকরাও সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় ফল আমদানির কর কাঠামো আরও সহনশীল করার দাবি জানান। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা, আমদানি ব্যয় এবং শুল্ক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


