বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) আয়োজিত ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা, গমসহ নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ পাইপলাইনে রয়েছে এবং এসব পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খোলার কার্যক্রমও স্বাভাবিক। রমজানসহ সারা বছর সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে।
নিত্যপণ্যের দাম কমাতে আমদানি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ফলের শুল্ক যৌক্তিকীকরণ এবং খেজুরের শুল্ক কমানোর বিষয়ে এনবিআরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভোগ্যপণ্য আমদানিতে ব্যাংকঋণের সুদহার কমানোর বিষয়েও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
কৃত্রিম সংকট ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে বাজারে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুল্ক পরিশোধের পরও মাল্টার ৪০০–৫০০ টাকা দাম গ্রহণযোগ্য নয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের অভিযানের পর দাম কমেছে।
সরবরাহব্যবস্থার ব্যয় কমাতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানো ও পরিবহন প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, লজিস্টিকস ব্যয় ১৬ শতাংশ থেকে কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইন করা, আরজেএসসি আধুনিকায়ন এবং শেয়ার হস্তান্তরে ঘরে বসে পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে।
আমদানিকৃত শিল্প উপকরণের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সোডিয়াম সালফেট ও বিটুমিন আমদানিতে প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পিএসআই) বাধ্যতামূলক করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সভায় সিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকসহ ব্যবসায়ী নেতারা রমজানে চাল, ডাল, ছোলা, গম, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ প্রধান ভোগ্যপণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতের আশ্বাস দেন। বাজারের চাহিদা ও মজুদ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বন্দর, কাস্টমস ও সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পণ্য খালাস নির্বিঘ্ন রাখার কথা জানান তারা।




