বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত এক সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ করা প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের সময় এ দাবি বাস্তবায়ন হতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ছাদে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এতে প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া প্রায় এক লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকার ভাতা পরিশোধে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ফান্ড গঠন করা হয়েছে। জাতীয়করণে বছরে অতিরিক্ত ৭ থেকে ৮ শত কোটি টাকা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি জাতীয়করণের দাবিতে সুশৃঙ্খল ও বড় পরিসরের জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করে গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকারের কাছে দাবি তুলে ধরার পরামর্শ দেন।
মীর শাহে আলম আরও বলেন, শিক্ষকরাই সমাজের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এবং গণতন্ত্রের বার্তাবাহক। শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সম্মেলনে সংসদ সদস্য ও শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেনসহ শিক্ষক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




