বুধবার বিকেল ৫টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সড়ক ও ফুটপাত চলাচলের উপযোগী রাখা জরুরি। তবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। তাদের জন্য উপযুক্ত বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে সেখানে ব্যবসার সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, সড়ক যানবাহন ও ফুটপাত পথচারীদের জন্য। কিন্তু সামাজিক শৃঙ্খলার অভাবে সেখানে ব্যবসা পরিচালিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, জীবিকার তাগিদে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক মানুষ ঢাকায় এসে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তাদের অনেককেই বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদা দিতে হয়। এ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে নির্ধারিত স্থানে ব্যবসার সুযোগ তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এ সমস্যার টেকসই ও সমন্বিত সমাধানের কথা বলা হয়েছিল। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা করে দিলে সেখানে তারা ব্যবসা করতে পারবেন এবং সিটি করপোরেশন যৌক্তিক হারে কর পাবে। তবে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলতে দেওয়া উচিত নয়।
মিরপুরের সাম্প্রতিক বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি দখলদারি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




