বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বরিশালে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সে সময় গোটা বাংলাদেশ ‘ফ্যাসিবাদ বনাম গণতন্ত্র’—এই দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত জনগণের আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিবাদের পরাজয় ঘটে এবং গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত হয়।
তিনি বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সংসদকে কার্যকর ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য সংসদের ভেতরেই গণতান্ত্রিক বিতর্কের মাধ্যমে মীমাংসা হওয়া উচিত। রাজপথে সংঘাত সৃষ্টি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নৈরাজ্য ছড়িয়ে রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে ঐক্যের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে, সেই ঐক্যের ভিত্তিতেই সংসদকে দেশের রাজনীতির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাই শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষার একমাত্র পথ। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সব সমস্যার সমাধানে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্রের পথে যেকোনো বাধা মোকাবিলা করা হবে।
এ সময় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।