বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেহরানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। ইরানের কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আগামী ৪ জুলাই তেহরান ও কোমে এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে আগামী ৯ জুলাই তার দাফন সম্পন্ন হবে।
আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শাহাদাৎ বরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর পরিবর্তিত শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯৮০ সালে অল্প সময়ের জন্য তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনার পর তিনি ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচন করে।
জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকার দেশে ফিরে আসবেন।