সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নতুন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিরা সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি কক্সবাজারকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা সরাসরি কক্সবাজারে আসতে পারবেন।
তিনি জানান, কক্সবাজারের সঙ্গে চীনের কুনমিংয়ের সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে চায়না সাউদার্ন ও চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। এ ছাড়া পেনাংয়ের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে এয়ারএশিয়া। কক্সবাজার-ব্যাংকক-দুবাই রুটে ফ্লাইট চালুর বিষয়ে ফ্লাই দুবাইয়ের আগ্রহকেও স্বাগত জানান মন্ত্রী। নতুন ফ্লাইট চালুতে এয়ারলাইন্সগুলোকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, রিয়াদে হামলার ঘটনায় বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছে। বাতিল হওয়া ১০টি ফ্লাইটের কারণে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি যাত্রীর চলাচল ব্যাহত হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সচিব ফাহমিদা আখতারের সভাপতিত্বে সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদসহ মন্ত্রণালয় এবং দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




