রোববার (২৬ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোতে সৃষ্ট কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) কমে গেছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের বিতরণ এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
তিতাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের স্বাভাবিক গ্যাস ব্যবহার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পিক আওয়ারে অনেক এলাকায় গ্যাসের চাপ আরও কমে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
এ পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে গ্যাসের চাপও আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।