গত বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার।
ছাত্রদলের উপজেলা আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান হৃদয়, পৌর আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম নিশাত এবং ছাত্রশিবিরের শহর সভাপতি রাকিব হোসাইন ও সরকারি কলেজ সভাপতি ফারহান খান নাঈম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পরও তাদের কিংবা তাদের সংগঠনকে রাষ্ট্রীয় এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
তাদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের উপেক্ষা করা হয়েছে, যা তাদের কাছে হতাশাজনক।
অন্যদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ জালাল কিসমত এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু জাফর মো. সালেহ মিন্টু ফরায়েজী।
জুলাই আন্দোলনের কয়েকজন অংশগ্রহণকারী জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতেই তারা ওই দুই আওয়ামী লীগ নেতার উপস্থিতির বিষয়ে আপত্তি তোলেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের জানান, তারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনে নিহত ওসমান পাটোয়ারীর বাবা আব্দুর রহমান বলেন, অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতার উপস্থিতির বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। তাদের কে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, সেটি উপজেলা প্রশাসনই ভালো বলতে পারবে। ঘটনাটিকে তিনি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ‘জুলাই শহিদ দিবস রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি। এখানে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।’