ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুই লেনের পৃথক সেতু দুটি টোলমুক্ত থাকবে। একটি দিয়ে ধউর থেকে আশুলিয়া এবং অপরটি দিয়ে আশুলিয়া থেকে ধউরের দিকে যান চলাচল করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে রাজধানীর সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ দ্রুত করার পাশাপাশি যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পের প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরও বড় একটি অংশের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউটিলিটি স্থানান্তর বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সমন্বিত উদ্যোগে তা দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে। জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে প্রকল্পের প্রতিটি ব্যয় যৌক্তিক ও অপচয়মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, তুরাগ নদীর নাব্যতা ও পানি প্রবাহ অক্ষুণ্ণ রেখে কারিগরি মান বজায় রেখেই সেতু দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট কাজও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পুরো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-আশুলিয়া করিডোরে যানজট কমবে এবং আশপাশের শিল্পাঞ্চলে পণ্য ও মানুষের চলাচল আরও দ্রুত ও নির্বিঘ্ন হবে।




