গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির। তিনি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্টার) মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
করোনাভাইরাস মহামারির সময় পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া করোনা শনাক্তকরণ সনদ প্রদান এবং রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ২০২০ সালে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন সাহেদ।
২০২০ সালের ৬ জুলাই র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালের শাখায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই করোনা পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়া, প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় এবং বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
পরদিন ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় সিলগালা করা হয়। একই দিন উত্তরা পশ্চিম থানায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এরপর ১৫ জুলাই ভারতের সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টাকালে সাতক্ষীরা থেকে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী সময়ে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অন্যান্য অভিযোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন।
২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটিতে তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।