শনিবার (৭ নভেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব হলো মানুষের সামনে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরা। সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশ করতে বাধার মুখে পড়লে সাধারণ মানুষও সঠিক তথ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন। একজন সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা শুধু ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের জানার অধিকারের ওপর আঘাত।
বক্তারা আরও বলেন, তারকাখ্যাতি থাকলেই কেউ আইনের ঊর্ধ্বে চলে যান না। একজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা পরীমনির আচরণের নিন্দা জানিয়ে তাকে বয়কটের আহ্বান জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলেন। পরে পরীমনির ছবিতে জুতা নিক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা।
আরও পড়ুন
উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে দৈনিক সমকালের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক রবিউল হোসেন রাজুর সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ওই দিন ১০ জন ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী নিয়ে আদালতে হাজির হন পরীমনি; শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালতের কার্যক্রম শেষে গাড়িতে ওঠার সময় ভিড়ের মধ্যে কেউ তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করেছেন বলে অভিযোগ করেন পরীমনি। এ সময় তিনি সাংবাদিক রাজুর ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সাংবাদিক রাজু দূর থেকে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন; এ সময় পরীমনির এক নিরাপত্তাকর্মী তাকে ধাক্কা দেন। পরে পরীমনি সাংবাদিক রাজুর মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে অবশ্য মোবাইল ফোনটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়।