বুধবার মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত ‘মৎস্য খাতে বাজেট ও সরকারের উন্নয়ন ভাবনা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মৎস্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি অপচয় বন্ধ করতে হবে: মৎস্যমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক জলাশয় সংকুচিত হওয়া ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে দেশীয় মাছের প্রাপ্যতা কমেছে। তাই উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে। অভয়াশ্রমে অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি তা বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত যাচাইয়েরও তাগিদ দেন তিনি।
মৎস্যজীবীদের তালিকা তৈরিতে সতর্কতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভুয়া বা অযোগ্য ব্যক্তির নাম থাকলে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। স্থানীয় পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন
গভীর সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ আহরণের সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শুধু জরিপে অর্থ ব্যয় না করে এর ফলাফল বাস্তব মৎস্য আহরণে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা প্রয়োজন। এ জন্য দক্ষ জনবল, উপযুক্ত জাহাজ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা ও খামারিদের কারিগরি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়মিত খামার পরিদর্শন ও তদারক করতে হবে। মিঠাপানির মাছ উৎপাদন, রপ্তানি, জলাশয় সংরক্ষণ ও মৎস্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
কর্মশালায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য অধ্যাপক এ এস এম গোলাম হাফিজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।