ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় মুসকানের জিম ট্রেনার ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হামলার পর তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
মুসকানের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা বাসায় গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
-
১৬ বছরেই বাড়িছাড়া করেছিলেন বাবা-মা, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেত্রীমঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
নেপালের বন্যায় আটকা তাসরিফ খান, চাইলেন দোয়াবৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
-
২৩ বছর পর ক্যামেরার সামনে ‘রাজ’ অভিনেত্রী, বললেন, ‘আমি বেঁচে আছি’বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
মুসকানের বন্ধু আমান জানান, তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। ঘটনার সময় তার বড় বোন চণ্ডীগড়ে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি আমানকে দ্রুত মুসকানের বাসায় যেতে বলেন।
আমানের দাবি, মুসকানের বোনদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, ইমরান এর আগেও তাকে হয়রানি করেছিলেন। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ইমরানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে তদন্ত চলছে।