বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মানব পাচার প্রতিরোধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। ভিকটিমদের সুরক্ষা, পুনর্বাসন এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে জাতীয় রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) ও মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ছাড়াও সাইবার স্পেসে ভুয়া জব অফারের মাধ্যমে প্রতারণা ও মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
জাতীয়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উইনরক ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ: মানব পাচার প্রতিরোধে জোর
উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট মাকসুদা মাকসুদি ২০০৮ সাল থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ আইন-২০২৬ এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাদের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উইনরক ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।