বুধবার সচিবালয়ে ডিসিদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে কি না, তা তথ্য-প্রমাণসহ জানাতে হবে।
জাতীয়
এলপিজির কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দাম খতিয়ে দেখতে ডিসিদের নির্দেশ
তিনি জানান, ডিসিদের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব এলাকায় সরবরাহ কম, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি বা কৃত্রিম সংকট তৈরির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন মন্ত্রী। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিসিদের আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।