জাতীয়

সমন্বিত ও দক্ষ জনসেবাই ডিজিটাল রূপান্তরের মূল লক্ষ্য: আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘ই-ইফেকটিভ ই-গভর্নমেন্টস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের আলাদা ডিজিটাল ব্যবস্থা থাকলেই ডিজিটাল সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় না। নাগরিকের কাছ থেকে একই তথ্য বারবার সংগ্রহ না করে Common Capability, Interoperability ও National Data Exchange শক্তিশালী করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদ ও অনুমোদিত উপায়ে তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। Interoperability শুধু প্রযুক্তিগত বিষয় নয়; এর সঙ্গে সুশাসন, অভিন্ন মানদণ্ড, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতাও জড়িত।

আরও পড়ুন

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, নাগরিকের কাছে সরকার কোনো বিচ্ছিন্ন মন্ত্রণালয় বা ডেটাবেজ নয়, বরং একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। তাই সরকারি ডিজিটাল ব্যবস্থাগুলোকে Connected Ecosystem হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এতে সরকারি সেবার দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়ার পাশাপাশি নাগরিকের আস্থাও বৃদ্ধি পাবে।

বিজ্ঞাপন

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আইন ও নীতিমালা, নিরাপদ কানেক্টিভিটি, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি ও ইলেকট্রনিকস উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো, নিরাপদ ডেটা বিনিময় ও উন্মুক্ত API নিশ্চিত করে তরুণদের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি স্টার্টআপ খাতে প্রতি বছর ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে এবং ই-গভর্ন্যান্স একাডেমির সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে ডিজিটাল রূপান্তর, ডেটার মালিকানা ও দায়িত্বশীলতা, নিরাপদ তথ্য বিনিময় এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ডিজিটাল কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ই-গভর্ন্যান্স একাডেমির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

একই বিভাগের আরও খবর