তিনি বলেন, ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় অনেক সময় খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়েন। এ সমস্যা সমাধানে উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি ধাপে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজন হলে ছোট আকারের প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপনে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।
দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন ও কৃষি উপকরণের চাহিদার তথ্য সংরক্ষণ করা গেলে সরকারি পরিকল্পনা ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দেশকে কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বের করে রপ্তানিমুখী করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আরও পড়ুন
-
বিএডিসিতে জনবল সংকট, পদোন্নতি ও বদলি নিয়ে অসন্তোষরবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
-
সার ডিলার নিয়োগের তারিখ নিয়ে গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বানবুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
অক্টোবর মাসে ৩ লাখ ১৬ হাজার টনের বেশি নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দসোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনুষ্ঠানে ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীকে বকনা গরু ও প্রাণিখাদ্য এবং ১০০ কৃষক-কৃষাণীর মধ্যে উন্নত জাতের গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে মন্ত্রী ফুলদী নদীর খালে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।