ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশ ইতোমধ্যে কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে নোটিশ পাঠিয়েছে। আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ভিডিও ও মন্তব্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নতুন কোনো আপত্তিকর কনটেন্ট শনাক্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
আন্দোলন শেষ, এবার মোদিবিরোধী পোস্টদাতাদের খুঁজছে দিল্লি পুলিশ
এর আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের কয়েকটি দাবির বিষয়ে সরকারের আশ্বাস পাওয়ার পর আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয় ককরোচ জনতা পার্টি। প্রায় এক মাস ধরে চলা এ আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় গত ২৫ জুলাই।
সেদিন নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি এবং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতেই আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
সিজেপির দাবি, সরকার নীতিগতভাবে নিট পরীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
গত মে মাসে নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা সারা দেশে পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুন অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে সিজেপি দিল্লির যন্তর মন্তরে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। পরে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক আন্দোলনে যোগ দিলে আন্দোলন আরও গতি পায়।