ম্যাচের ওই মুহূর্তে আর্জেন্টিনার একটি দ্রুত আক্রমণ থামাতে গিয়ে এমবোলো প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে ফাউল করেন। রেফারি সেটিকে আনস্পোর্টিং বিহেভিয়ার হিসেবে বিবেচনা করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। যেহেতু এর আগে তিনি একটি হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন, তাই ফিফার আইন অনুযায়ী দুই হলুদ কার্ড মিলিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ড দেখানো হয়।
ফুটবলের ল অব দ্য গেমস অনুযায়ী, একই ম্যাচে কোনো খেলোয়াড় দুটি হলুদ কার্ড পেলে তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ওই দলকে ম্যাচের বাকি সময় ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলতে হয়।
এমবোলোর বিদায়ের পর একজন কম নিয়ে খেলতে বাধ্য হয় সুইজারল্যান্ড। সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে ম্যাচের শেষ দিকে আরও আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা।
আরও পড়ুন
-
আগামী বিশ্বকাপে মুনাফার লক্ষ্য সরকারের : তথ্যমন্ত্রীরবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
-
২০৩০ বিশ্বকাপে থিয়াগো মেসিকে দেখার স্বপ্নে আর্জেন্টিনাবৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
-
আর্জেন্টিনার হারে আক্ষেপ নেই ট্রাম্পের, স্পেনকেই দিলেন যোগ্য চ্যাম্পিয়নের স্বীকৃতিমঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হলেও ফুটবল আইনের দৃষ্টিতে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর লাল কার্ড দেখানো রেফারির জন্য বাধ্যতামূলক নিয়ম। ফলে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা থাকলেও সিদ্ধান্তটি ছিল প্রচলিত আইন অনুসারেই।