সম্প্রতি নীলফামারীর পৌর মসজিদে এক ওয়াজ মাহফিলে দেওয়া আমির হামজার এ বক্তব্য ‘জনি ইসলামিক টিভি’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করা হয়। বক্তব্যে আমির হামজা আরও বলেন, "কাবা শরিফে এক ওয়াক্ত নামাজ পড়লে লক্ষ রাকাতের সওয়াব পাওয়া যায়, অথচ সেই মসজিদের সভাপতি ছিল আবু জাহেল। এখন অনেকেই নীলফামারীর পৌর মসজিদের সভাপতি হয়ে ভাবে, জান্নাত ঠেকায় কে।"
খতিব আবদুল মালেককে ‘বাতিলের পা-চাটা গোলাম’ বললেন আমির হামজা
শিরকমুক্ত ঈমানের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, "যাঁদের জ্ঞান আছে কিন্তু সে অনুযায়ী কাজ করেন না এবং বাতিলের পা-চাটা গোলামি করেন, তাঁদের সম্মান কখনো বাড়বে না।" তিনি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও খতিব ওবায়দুল হকের উদাহরণ টেনে বলেন, "বাতিলের পা-চাটা গোলামি করলে সারাবিশ্বে মর্যাদা বাড়ে না; বরং তা কেবল একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।"
"বাতিলের পা-চাটা গোলামি করলে সারাবিশ্বে মর্যাদা বাড়ে না; বরং তা কেবল একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।"শিরোনাম: বায়তুল মোকাররমের খতিবকে ইঙ্গিত করে আমির হামজার কঠোর সমালোচনা
আরও পড়ুন
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে ইঙ্গিত করে কঠোর সমালোচনা করেছেন ইসলামি বক্তা ও সংসদ সদস্য (কুষ্টিয়া-৩) মুফতি আমির হামজা। সম্প্রতি নীলফামারীর পৌর মসজিদে এক ওয়াজ মাহফিলে তিনি খতিবকে ‘বাতিলের পা-চাটা গোলাম’ বলে মন্তব্য করেন। ‘জনি ইসলামিক টিভি’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত ওই বক্তব্যের ভিডিওতে তাঁকে এই মন্তব্য করতে দেখা যায়।
বক্তব্যে আমির হামজা বলেন, বায়তুল মোকাররমের মতো বড় মসজিদের খতিব শিরক করবেন, তা মেনে নেওয়া যায় না। কাবা শরিফের পবিত্রতা ও সওয়াবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একসময় কাবার সভাপতি ছিল আবু জাহেল। বর্তমানেও অনেকে মসজিদের দায়িত্বে থেকে অহংকার করেন, যা অনুচিত।
তিনি আরও বলেন, শুধু জ্ঞান থাকলেই হবে না, সেই অনুযায়ী আমলও করতে হবে। জ্ঞান অনুযায়ী আমল না করে বাতিলের গোলামি করলে কখনোই প্রকৃত সম্মান বাড়ে না। এ প্রসঙ্গে তিনি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও খতিব ওবায়দুল হকের উদাহরণ টেনে বলেন, শিরকমুক্ত ঈমান ও আমল না থাকলে বিশ্বজুড়ে কারও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয় না।