বুধবার দুপুরে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন, দাকোপ ও মোংলা বন্দর এলাকায় তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে নৌপথে মোংলা নৌঘাঁটিতে পৌঁছাবেন। মধ্যাহ্নবিরতির পর বিকেলে তিনি মোংলা বন্দরের জেটি ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ প্রাধান্য পাবে। এ ছাড়া সরকারপ্রধানের এ সফর ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতীক্ষিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালুর দাবিসহ উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।