মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তারানজিত সিং সাধু দিল্লি পুলিশকে গোয়া পুলিশের ‘পিংক ফোর্স’-এর আদলে এ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেন। সম্প্রতি প্রায় ১০ দিনের ব্যবধানে নাবালিকাদের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের চারটি ঘটনা সামনে আসার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দিল্লিতে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তায় চালু হলো ‘পিংক ফোর্স’
প্রস্তাবিত ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াবে। এর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও গণপরিবহন কেন্দ্রের আশপাশে নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত টহল জোরদার করা হবে।
দিল্লি পুলিশের নারী সদস্যদের স্কুটি ও বিট পেট্রোলিংয়ে মোতায়েনের কার্যক্রম আগে থেকেই রয়েছে। নতুন ‘পিংক ফোর্স’-এর মাধ্যমে এসব কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ‘অপারেশন শিষ্টাচার’-এর আওতায় প্রকাশ্যে নারীদের উত্ত্যক্ত করার বিরুদ্ধেও অভিযান চলবে।
আরও পড়ুন
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর মধ্যে কালকাজি মন্দিরের কাছে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, সদর বাজারে এক নাবালিকার যৌন নির্যাতন, কিষাণগঞ্জে ছয় বছর বয়সী শিশুকে যৌন নির্যাতন এবং স্বরূপ নগরে ১৬ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় পুলিশ গ্রেপ্তার ও আটকের কথা জানিয়েছে।
এ ছাড়া ‘জন শুনানি’ কর্মসূচির অভিযোগ ডিজিটালভাবে ট্র্যাক করা, অপরাধপ্রবণ এলাকায় টহল বাড়ানো, প্রতিটি পুলিশ জেলায় নোডাল কর্মকর্তা নিয়োগ এবং স্কুলে শিশু সুরক্ষা, সাইবার অপরাধ ও মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাইবার অপরাধ মোকাবিলা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সিসিটিভি নজরদারি এবং পুলিশ সদস্যদের কল্যাণেও বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জুন থেকে চলা ‘জন শুনানি’ কর্মসূচিতে ১ হাজার ৩০০টির বেশি সেশন ও প্রায় ১০ হাজার অভিযোগ নিষ্পত্তির তথ্য জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।