রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত নীতি সংলাপে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক হলেও দুর্বল বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার কারণে শিল্পটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন বিনিয়োগকারীদের সুযোগ তৈরি করতে যারা আর বিনিয়োগে সক্ষম নন, তাদের জন্য ‘গ্রেসফুল এক্সিটের’ ব্যবস্থা করা হবে।
চামড়া শিল্প পুনরুজ্জীবনে সমন্বিত সংস্কার পরিকল্পনা সরকারের
মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে ট্যানারিতে শতভাগ পরিবেশগত ও আন্তর্জাতিক মানের শর্ত নিশ্চিত করা হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ অর্জন বাধ্যতামূলক করা হবে।
সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন বিশ্বমানের শোধনাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বড় ট্যানারিতে নিজস্ব বর্জ্য শোধনাগার এবং ছোট ট্যানারিতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে শতভাগ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন
সরকার দেশে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে জুতা, ব্যাগসহ উচ্চমূল্যের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি এবং ‘বাংলাদেশ লেদার’ ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে চায়। একই সঙ্গে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউরোপের বাজার সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দক্ষতা ও ডিজাইন উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, বিনিয়োগ সুবিধা এবং বন্ডসংক্রান্ত জটিলতা সমাধানের মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে চামড়া শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।