ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। সেখানে রাতভর অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আটকের কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
একই সময়ে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও আটক করে মন্দির মার্গ থানায় নেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। রাতে থানায় যান কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। কিছু সময় অবস্থান করে তিনি সেখান থেকে ফিরে যান।
এদিকে, আগের দিন পুলিশ ও বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক আরও ৭০ জনকে মঙ্গলবার মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
এর আগে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন অভিমুখে মিছিল বের করেন দলটির নেতাকর্মীরা। মিছিলে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব-ও অংশ নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর পদত্যাগ দাবি করেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ঘটনাস্থলে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলোচনা করলেও কংগ্রেস নেতৃত্ব অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে।
অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, পুরো কর্মসূচি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে সোমনাথ ভারতী অভিযোগ করেন, ছাত্র-যুবদের চলমান আন্দোলনের পরিবর্তে রাহুল গান্ধী এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।