বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাই ২০২৬ সালের। ওইদিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান।
ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ
তার দাবি, সেখানে অবস্থানকালে চালক ওবায়দুল্লাহর সহায়তায় ৬–৭ জন অপরিচিত ব্যক্তি কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা শুরু করে। পরে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু অর্থ দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে মুক্তি পান বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
গাজী নজরুল ইসলামের অভিযোগ, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তিনি দাবি করেন, মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটানো হয়।
আরও পড়ুন
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ তার কাছে ৫ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
গাজী নজরুল ইসলামের ভাষ্য, পরে দাবিকৃত টাকা না পেয়ে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে একটি বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি ঘটনাটিকে তার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ সাজানো ঘটনা। একই সঙ্গে চালক ওবায়দুল্লাহসহ এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।