প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমআরটি লাইন-৬ বর্তমানে একাধিক কাঠামোগত ও পরিচালনগত ত্রুটি নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। এসব সমস্যা বিচ্ছিন্ন নয়, বরং সম্মিলিতভাবে একটি ‘যৌগিক ঝুঁকি’ তৈরি করেছে, যা যাত্রী নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের জন্য উদ্বেগের কারণ।
জাতীয়
মেট্রোরেলের ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাডে ত্রুটি, ৪৬ পিয়ার হেড ও ২০ বক্স গার্ডারে ফাটল
অডিট কমিটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, নির্মাণকাজে ত্রুটি অথবা নকশাগত দুর্বলতা এসব সমস্যার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত ত্রুটির মূল কারণ নির্ধারণ কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো প্রতিস্থাপনের জন্য পূর্ণাঙ্গ কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ অক্টোবর ফার্মগেট এলাকায় একটি বেয়ারিং প্যাড নিচে পড়ে এক পথচারীর মৃত্যুর ঘটনার পর হাইকোর্ট ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ৯ সদস্যের একটি স্বাধীন নিরাপত্তা অডিট কমিটি গঠন করে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বাধীন কমিটি গত মে মাসে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।